শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবে’র ব্যানারে জামাতের প্রতিবাদ সভা  » «   ফরাসী পতাকার ৩ টি রং এর মানে কি?  » «   Victor Hugo এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  » «   পানির উচ্চতা মাপার কাজে নিয়োজিত জুয়াভ  » «   রাইয়াদ আদ্দীন তিশান এর ১ম জন্মদিন উদযাপন  » «   দেশব্যাপী জামায়াতের হরতাল চলছে  » «   শাবি ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   আজ বিশ্ব মা দিবস  » «   নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬  » «   সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের আহ্বান রওশনের  » «   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন আজ  » «   নির্ঘুম রাতে ডাকাত আতঙ্ক এ ব্যর্থতা কার ?  » «   প্রচারণা শেষ : সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটের লড়াই কাল  » «   জামায়াত হরতাল ডাকায় পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা  » «   নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সিলেটে আনন্দ মিছিল  » «  

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে এয়ারটেল!

airtel-640তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :: সম্প্রতি আফ্রিকার বারকিনা ফাসো, শাদ, কঙ্গো ও সিয়েরা লিওনের ব্যবসা বিক্রি করে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিতে যাচ্ছে ভারতী এয়ারটেল। আর্থিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে তুলনামূলক দুর্বল ও অলাভজনক ব্যবসায় ইউনিট বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ইউনিট বিক্রির বিষয়ে ইতোমধ্যে আরব আমিরাতভিত্তিক ইতিসালাত ও ফ্রান্সের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জের সঙ্গে আলোচনাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতের ব্যবসায় সংবাদভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল মানি কন্ট্রোল ডটকম ও সিএনবিসি টিভি ১৮ এ খবর জানিয়েছে।
সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতী এয়ারটেলের বাংলাদেশে ৪ হাজার এবং শ্রীলংকায় আড়াই হাজার টাওয়ার রয়েছে। এগুলো বিক্রি করে দিয়ে অন্য কোনো কোম্পানিকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর আগে ২০১২ সালে একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলেও তাতে সফল হয়নি ভারতী এয়ারটেল। এছাড়া ২০১৪ সালের শুরুতেও একবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ারটেল নিজেদের টাওয়ার নেটওয়ার্ক অবকাঠামো বিক্রি করে ২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সুনীল মিত্তালের মালিকানাধীন ভারতী আফ্রিকা ও বাংলাদেশে তাদের টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিক্রির জন্য আলাদা প্রস্তাবও পেয়েছিলেন বলে সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিলো ।
বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সেলফোন অপারেটর ভারতী এয়ারটেল বিনিয়োগ করে ২০১০ সালে। সে সময় ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠা করা হয় এয়ারটেল বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে ওয়ারিদের কাছে থাকা বাকি ৩০ শতাংশ শেয়ারও কিনে নেয় সিঙ্গাপুরে ভারতী এয়ারটেলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল হোল্ডিংস লিমিটেড। বাংলাদেশে ব্যবসা বৃদ্ধির ব্যাপারে তারা আশাবাদী হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।
২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক প্রবৃদ্ধি ছিল ১০২ শতাংশ, ২০১১ সালে ৫২, ২০১২ সালে ১৭ ও ২০১৩ সালে দশমিক ২৭ শতাংশ। আর ২০১৪ সালে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ গ্রাহক কমে যায় প্রতিষ্ঠানটির। তবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহক বেড়েছে ১৬ শতাংশের বেশি। বর্তমানে দেশের ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটরের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যার ভিত্তিতে এয়ারটেল বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহক সংখ্যা ৮৭ লাখ ৪৩ হাজার যা মার্কেট শেয়ারে ৭ শতাংশ মাত্র।
বাংলাদেশে এয়ারটেলের ব্যবসা বন্ধের বিষয়ে জানতে এয়ারটেলের গণমাধ্যম যোগাযোগ কর্মকর্তা শমিত মাহবুব শাহাবুদ্দিনের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করে কেটে দেন।

সর্বশেষ সংবাদ