শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবে’র ব্যানারে জামাতের প্রতিবাদ সভা  » «   ফরাসী পতাকার ৩ টি রং এর মানে কি?  » «   Victor Hugo এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  » «   পানির উচ্চতা মাপার কাজে নিয়োজিত জুয়াভ  » «   রাইয়াদ আদ্দীন তিশান এর ১ম জন্মদিন উদযাপন  » «   দেশব্যাপী জামায়াতের হরতাল চলছে  » «   শাবি ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   আজ বিশ্ব মা দিবস  » «   নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬  » «   সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের আহ্বান রওশনের  » «   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন আজ  » «   নির্ঘুম রাতে ডাকাত আতঙ্ক এ ব্যর্থতা কার ?  » «   প্রচারণা শেষ : সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটের লড়াই কাল  » «   জামায়াত হরতাল ডাকায় পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা  » «   নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সিলেটে আনন্দ মিছিল  » «  

বাংলাদেশিদের সাথে প্রতারণা করায় সিঙ্গাপুরের নাগরিক জেলে

jail_sm_920279330নিউজ ডেস্ক :: কানাডাতে চাকরি ও ভিসা জোগাড় করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিরীহ বাংলাদেশি কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে সিঙ্গাপুরের এক নাগরিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) এই রায় দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, মুমিনা জাহাবার (৪৭) নামে সিঙ্গাপুরের এক নারী সেদেশের মেরিন ও কনস্ট্রাকশন খাতে কর্মরত স্বল্প-শিক্ষিত ও নিরীহ বাংলাদেশি কর্মীদের সরলতাকে পুঁজি করে আর্থিক ফায়দা লুটার পরিকল্পনা করেন।

তিনি উপরোক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের মাঝে প্রচার করেন যে, তার হাতে কানাডার কয়েকটি কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ আছে এবং এই চাকরিতে আবেদনের ফি হিসেবে জনপ্রতি ৭৫০ ডলার করে দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য।

তার ফাঁদে পা দিয়ে ৯৪ জন বাংলাদেশি তার ব্যাংক একাউন্টে এবং নগদে সর্বমোট প্রায় ৫৭,৩৫০ ডলার দেন।

কিন্তু, দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও কারো কোনো চাকরির ব্যবস্থা না হওয়ায় কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মী মিলে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ তাকে আটক করার পর তার বাসায় তল্লাশি চালায়। এ সময় সেখানে অনেক বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি এবং ভিসা আবেদনের অন্যান্য কাগজপত্র পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে পুলিশের জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেন, তার আসলে কানাডাতে কোনো পরিচিত কোম্পানি নেই এবং তিনি কারো কোনো আবেদনই কানাডাতে জমা দেননি। মূলতঃ অর্থ আত্মসাৎ করার জন্যই তিনি চাকরির এই ভুয়া তথ্য প্রচার করেছিলেন।

দীর্ঘ চার মাস ধরে তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ১৫ জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়।

অবশিষ্ট ৭৯টি অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন এবং সবগুলো প্রমাণিত হলে তার সর্বমোট দশ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ