বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবে’র ব্যানারে জামাতের প্রতিবাদ সভা  » «   ফরাসী পতাকার ৩ টি রং এর মানে কি?  » «   Victor Hugo এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  » «   পানির উচ্চতা মাপার কাজে নিয়োজিত জুয়াভ  » «   রাইয়াদ আদ্দীন তিশান এর ১ম জন্মদিন উদযাপন  » «   দেশব্যাপী জামায়াতের হরতাল চলছে  » «   শাবি ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   আজ বিশ্ব মা দিবস  » «   নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬  » «   সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের আহ্বান রওশনের  » «   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন আজ  » «   নির্ঘুম রাতে ডাকাত আতঙ্ক এ ব্যর্থতা কার ?  » «   প্রচারণা শেষ : সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটের লড়াই কাল  » «   জামায়াত হরতাল ডাকায় পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা  » «   নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সিলেটে আনন্দ মিছিল  » «  

পুড়ে গেলে ডিম বা পেস্ট লাগানো কতোটুকু স্বাস্থ্যসম্মত

full_1048098054_1450775383লাইফ স্টাইল ডেস্ক: নিত্যদিনের কাজ করতে গিয়ে পুড়ে যাওয়া, কেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এসব দুঘর্টনার পর আমরা দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থাকি। যেমন, পুড়ে গেলে অনেক সময়ই পেস্ট, ডিম বা আলু লাগায়। আসলে এগুলো করা কতোটুকু ঠিক? আর পুড়ে গেলে প্রাথমিক অবস্থায় কী করণীয়?

পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি যখন আসে, তখন সাধারণভাবে, আগুনে পুড়ে যেতে পারে, গরম পানিতে পুড়ে যেতে পারে, ইলেকট্রিক বার্ন হতে পারে, এমনকি পেট্রলবোমা দিয়ে পুড়ে যাওয়ার বিষয়টিও আসে।

আমাদের দেশে গরম পানিতে পুড়ে যাওয়া এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া- এ দুটো ঘটনা বেশি ঘটে। এছাড়া ইলেকট্রিক বার্ন তো আছেই। ঘরের মধ্যে অথবা রাস্তায় যারা কাজ করেন বা ইলেকট্রিক লাইনে কাজ করেন, নির্মাণকর্মী তাদের এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়। তাছাড়া রয়েছে কেমিক্যাল বার্ন। তবে গরম পানি ও আগুনে পোড়াটা বেশি।

হয়তো হাত আগুনে পুড়ে গেলে প্রথমে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে কেউ ডিম ভেঙে দেয়, কেউ লবণ দেয় আবার কেউ অন্য কোনো পেস্ট দেয়। নিজেরাই প্রাথমিকভাবে এই কাজগুলো করে ফেলে।

কিন্তু এগুলো না করে আপনি যা করবেন :

পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে আহত ব্যক্তিকে আগুনের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে এবং তার শরীরের কাপড়, গয়নাগাটি থাকলে তা খুলে ফেলতে হবে। এরপর সাধারণ পানি অর্থাৎ কলের পানি দিয়ে ক্ষত স্থান ধুতে হবে। প্রায় ২০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট এভাবে পানির নিচে রাখতে হবে। কারণ পোড়ার পরও ওই জিনিসটি আস্তে আস্তে ছড়াতে থাকে। পানি সেই ক্ষত জায়গাটাকে বাড়তে দেয় না।

পেস্ট, ডিম বা আলু এগুলোর আসলে তেমন কোনো ভূমিকা নেই। অনেকে বলে ডিম সেই জায়গাটিতে ব্যবহার করার চেয়ে যেহেতু এতে কিছু প্রোটিন আছে, সেটি খাওয়া বেশি জরুরি। ক্ষত জায়গায় দিলে কোনো লাভ হয় না।

এগুলোর প্রলেপ দিলে বরং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া পেস্ট, ডিম এগুলো না দেয়াই উত্তম।

এছাড়া ১০ ভাগের নিচে, আর ১৫ ভাগের নিচে আগুনে পোড়ার ক্ষেত্রে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা যেতে পারে।। তবে এর বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

তবে শরীর বেশি পুড়ে গেলে বা শ্বাসতন্ত্র পুড়ে গেলে তাদের বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়। বেশি পুড়ে গেলে প্রাথমিক অবস্থায় আশপাশের হাসপাতালে যাবেন। এরপর যারা বার্ন বিশেষজ্ঞ, তাদের কাছে নিতে হবে। যদি গভীর পোড়া হয় বা হাত জোড়া লেগে যায় বা মুখ পুড়ে যায়, যদি না শুকায়, সে ক্ষেত্রে স্কিন গ্রাফটিং করা হয়। কোনো কোনো জায়গায় যদি স্কিন গ্রাফটিং সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে ফ্লাপ দিয়ে জোড়া লাগিয়ে দিবে চিকিৎসকরা।

তাই পুড়ে যাওয়ার পরিমাণ বেশি হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের সেবা নেয়া উচিত।

লাইফ স্টাইল ডেস্ক: নিত্যদিনের কাজ করতে গিয়ে পুড়ে যাওয়া, কেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এসব দুঘর্টনার পর আমরা দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থাকি। যেমন, পুড়ে গেলে অনেক সময়ই পেস্ট, ডিম বা আলু লাগায়। আসলে এগুলো করা কতোটুকু ঠিক? আর পুড়ে গেলে প্রাথমিক অবস্থায় কী করণীয়?

পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি যখন আসে, তখন সাধারণভাবে, আগুনে পুড়ে যেতে পারে, গরম পানিতে পুড়ে যেতে পারে, ইলেকট্রিক বার্ন হতে পারে, এমনকি পেট্রলবোমা দিয়ে পুড়ে যাওয়ার বিষয়টিও আসে।

আমাদের দেশে গরম পানিতে পুড়ে যাওয়া এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া- এ দুটো ঘটনা বেশি ঘটে। এছাড়া ইলেকট্রিক বার্ন তো আছেই। ঘরের মধ্যে অথবা রাস্তায় যারা কাজ করেন বা ইলেকট্রিক লাইনে কাজ করেন, নির্মাণকর্মী তাদের এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়। তাছাড়া রয়েছে কেমিক্যাল বার্ন। তবে গরম পানি ও আগুনে পোড়াটা বেশি।

হয়তো হাত আগুনে পুড়ে গেলে প্রথমে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে কেউ ডিম ভেঙে দেয়, কেউ লবণ দেয় আবার কেউ অন্য কোনো পেস্ট দেয়। নিজেরাই প্রাথমিকভাবে এই কাজগুলো করে ফেলে।

কিন্তু এগুলো না করে আপনি যা করবেন :

পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে আহত ব্যক্তিকে আগুনের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে এবং তার শরীরের কাপড়, গয়নাগাটি থাকলে তা খুলে ফেলতে হবে। এরপর সাধারণ পানি অর্থাৎ কলের পানি দিয়ে ক্ষত স্থান ধুতে হবে। প্রায় ২০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট এভাবে পানির নিচে রাখতে হবে। কারণ পোড়ার পরও ওই জিনিসটি আস্তে আস্তে ছড়াতে থাকে। পানি সেই ক্ষত জায়গাটাকে বাড়তে দেয় না।

পেস্ট, ডিম বা আলু এগুলোর আসলে তেমন কোনো ভূমিকা নেই। অনেকে বলে ডিম সেই জায়গাটিতে ব্যবহার করার চেয়ে যেহেতু এতে কিছু প্রোটিন আছে, সেটি খাওয়া বেশি জরুরি। ক্ষত জায়গায় দিলে কোনো লাভ হয় না।

এগুলোর প্রলেপ দিলে বরং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া পেস্ট, ডিম এগুলো না দেয়াই উত্তম।

এছাড়া ১০ ভাগের নিচে, আর ১৫ ভাগের নিচে আগুনে পোড়ার ক্ষেত্রে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা যেতে পারে।। তবে এর বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

তবে শরীর বেশি পুড়ে গেলে বা শ্বাসতন্ত্র পুড়ে গেলে তাদের বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়। বেশি পুড়ে গেলে প্রাথমিক অবস্থায় আশপাশের হাসপাতালে যাবেন। এরপর যারা বার্ন বিশেষজ্ঞ, তাদের কাছে নিতে হবে। যদি গভীর পোড়া হয় বা হাত জোড়া লেগে যায় বা মুখ পুড়ে যায়, যদি না শুকায়, সে ক্ষেত্রে স্কিন গ্রাফটিং করা হয়। কোনো কোনো জায়গায় যদি স্কিন গ্রাফটিং সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে ফ্লাপ দিয়ে জোড়া লাগিয়ে দিবে চিকিৎসকরা।

তাই পুড়ে যাওয়ার পরিমাণ বেশি হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের সেবা নেয়া উচিত।

সর্বশেষ সংবাদ