বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবে’র ব্যানারে জামাতের প্রতিবাদ সভা  » «   ফরাসী পতাকার ৩ টি রং এর মানে কি?  » «   Victor Hugo এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  » «   পানির উচ্চতা মাপার কাজে নিয়োজিত জুয়াভ  » «   রাইয়াদ আদ্দীন তিশান এর ১ম জন্মদিন উদযাপন  » «   দেশব্যাপী জামায়াতের হরতাল চলছে  » «   শাবি ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   আজ বিশ্ব মা দিবস  » «   নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬  » «   সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের আহ্বান রওশনের  » «   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন আজ  » «   নির্ঘুম রাতে ডাকাত আতঙ্ক এ ব্যর্থতা কার ?  » «   প্রচারণা শেষ : সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটের লড়াই কাল  » «   জামায়াত হরতাল ডাকায় পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা  » «   নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সিলেটে আনন্দ মিছিল  » «  

ভালবাসা দিবসে সিলেট আদালত পাড়া থেকে ‘প্রেমিক’ অপহরণ

downloadনিউজ ডেস্ক :: রোববার সকাল সাড়ে ১০টা। আদালতপাড়া উপস্থিত হন প্রেমিক-প্রেমিকার একযুগল জুটি। ভালোবাসা দিবসে আত্মসর্পন করতে এসে প্রেমিকার স্বজনদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন প্রেমিক। অবশেষে প্রেমিকাকে আদালতপাড়ায় রেখেই প্রেমিককে অপরণ করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের আদালতপাড়ায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অপহৃত ব্যক্তির স্বজনরা জানান, সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাওনপুরের আলতাব মিয়ার মেয়ে তাহমিনা আক্তার হ্যাপী (২০) সিলেট এমসি কলেজে পড়েন। গত ২৮ জানুয়ারি সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও সুজাতপুরের মতিউর রহমান মতিনের ছেলে আব্বাস আলীর (২৩) হাত ধরে পালিয়ে যান হ্যাপী। আব্বাসকে বিয়েও করেন তিনি।

এ ঘটনায় হ্যাপীর বাবা আলতাব মিয়া গত ১ ফেব্রুয়ারি সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আব্বাস আলীসহ চারজনকে আসামি করা হয়।

আর সেই মামলায় হ্যাপী ও তার স্বামী আব্বাস রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যান। এমন সংবাদ পেয়েই হ্যাপীর বাবা ও ভাইসহ বাদিপক্ষও আদালতপাড়ায় গিয়ে হাজির হয়।

বেলা ১১টায় আব্বাস ও হ্যাপী তাদের আইনজীবীর সাথে দেখা করে আদালতে আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি নেয়। একপর্যায়ে মামলার বাদি আলতাব মিয়া ও তার স্বজনরা সিলেট জেলা বারের ২ নম্বর হলের সামন থেকে প্রেমিক আববাস আলীকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

সিলেট জেলা বারের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘আফতাব মিয়া কোতোয়ালী থানায় আব্বাস আলী গং-এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী) ২০০৩ আইনে একটি মামলা করেন। এই উদ্দেশ্যে ভিকটিম তার স্বামীকে নিয়ে আজ আদালতে আসেন। কিন্তু হাজিরা দেয়ার আগেই আফতাব মিয়া ও তার স্বজনরা আসামিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি সিলেট জেলা বারের সভাপতি-সেক্রেটারিসহ সকল মহলকে অবহিত করা হয়েছে। তাহমিনা আক্তার হ্যাপী তার স্বামীকে অপহরণ করে নেয়া হয়েছে বলে আদালতকেও লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। পরে আদালত ভিকটিম হ্যাপীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদেশ দেন। বিকেলে সিলেট মেট্রোপলিটন ২ আদালতে হ্যাপীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা।’

সর্বশেষ সংবাদ