শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবে’র ব্যানারে জামাতের প্রতিবাদ সভা  » «   ফরাসী পতাকার ৩ টি রং এর মানে কি?  » «   Victor Hugo এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  » «   পানির উচ্চতা মাপার কাজে নিয়োজিত জুয়াভ  » «   রাইয়াদ আদ্দীন তিশান এর ১ম জন্মদিন উদযাপন  » «   দেশব্যাপী জামায়াতের হরতাল চলছে  » «   শাবি ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   আজ বিশ্ব মা দিবস  » «   নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬  » «   সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের আহ্বান রওশনের  » «   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন আজ  » «   নির্ঘুম রাতে ডাকাত আতঙ্ক এ ব্যর্থতা কার ?  » «   প্রচারণা শেষ : সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটের লড়াই কাল  » «   জামায়াত হরতাল ডাকায় পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা  » «   নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সিলেটে আনন্দ মিছিল  » «  

অনন্ত হত্যা: দুই আসামীর জামিন, মুক্তির পর ফের গ্রেপ্তার

Ananta+Bijoy+Dash+2নিউজ ডেস্ক ::

বিজ্ঞান লেখক অনন্ত বিজয় দাশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কারাবন্দী থাকা দু’জন উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেছেন। আজ জামিনে মুক্তিলাভের পর তাদের আবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ সকাল ১১ টার দিকে নগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে মোহাইমিন নোমান ও রশিদ আহমদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে আজকেই এ দু’জন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

দু’জনকে গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করে সিলেট কতোয়ালি থানার ওসি সুহেল আহমদ বলেন, তারা দু’জন একটি বাস পুড়ানো মামলার আসামী। গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাইমিন নোমানের ভাই মান্নান রাহী অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। দুই ভাইকে একসাথে কানাইঘাট থেকে ২৭ আগস্ট গ্রেফতার করেছিলো সিআইডি পুলিশ।

গত বছরের ১২ মে সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকার নূরানি আবাসিক এলাকায় অনন্ত বিজয় দাশকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি সুবিদবাজারের বনকলাপাড়ার নূরানি এলাকার ১২/১৩ নম্বর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। ঘটনাস্থল থেকে অনন্তর বাড়ি ৩০ থেকে ৪০ গজ দূরে।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন অনন্ত বিজয়। এরপর কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন পূবালী ব্যাংকে। সিলেটের জাউয়াবাজারে অবস্থিত পূবালী ব্যাংক শাখায় কর্মরত ছিলেন।

এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে অজ্ঞাত পরিচয় ৪ জনকে আসামি করে অনন্ত বিজয় দাশের বড়ভাই রত্নেশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটির তদন্তভার সিআইডি’র অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগকে দেওয়া হয়। আনসার বাংলা ৮ নামের একটি সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে।

সর্বশেষ সংবাদ