রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত



তোফায়েল পাপ্পু, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার:: 
কাউকে পেছনে ফেলে নয় এই প্রতিবাদ্য নিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষা বিষয়ক সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড)। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপি আরসি)। খ্রিস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি),  গ্রাম বিকাশ কেন্দ (জিবিকে) এর আয়োজনে ২দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) সকালে শ্রীমঙ্গলস্থ ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ১ম দিন উদ্বোধনী আলোচনা সভায় পিপি আরসি এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধক ছিলেন সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড) এর পরিচালক ফিলিপ গাইন।
সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, উপচার্য, ইতিহাসবিদ অধ্যাপক আহমেদ কামাল, জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম, বিশিষ্ট লেখক ড. হরিশংকর জলদাস, আচিক মিচিক সোসাইটির সভাপতি সুলেখা ম্রং, বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আউয়াল,
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী, বাংলাদেশ   পরিসংখ্যান ব্যুরো এর প্রাক্তন মহাপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াজেদ, গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে চা জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রজাতিসত্তা ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় সংস্থা, মানবাধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষা বিষয়ে গবেষণা ও অনুসন্ধান থেকে এ পর্যন্ত যেসব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে এর সার সংক্ষেপ তুলে ধরেন।
উল্লেখ সেড, পিপি আরসি, সিসিডিবি, জিবিকে এই চারটি প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে তাদের বর্তমান অবস্থার মানচিত্রায়ণ এবং তাদের সক্ষমতা ও যোগাযোগ শক্তিশালী করতে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সাড়ে তিন বছরের একটি প্রকল্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইকো কোঅপারেশনের অর্থায়নে পরিচালনা করছে।