শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আনন্দ মানুষকে প্রশান্তি দেয় এবং মনকে সুস্থ ও সতেজ রাখে — পররাষ্ট্রমন্ত্রী



নিজস্ব সংবাদদাতা ::
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এই বিষয়টি সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। সকল ধর্মের মানুষ বৈষম্য ভুলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, মানুষের শরীরের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও ভিটামিন জরুরি তেমনি তার আত্মার জন্যও বিনোদন, বিশ্রাম ও খাদ্য জরুরি। আনন্দ ও চিত্ত বিনোদন মানুষের মধ্যে হতাশা ও ব্যর্থতার গ্লানিসহ অন্যান্য নেতিবাচক অনুভূতিকে মন থেকে মুছে দেয়। আনন্দের অনুভূতি মানুষকে প্রশান্তি দেয় এবং মনকে সুস্থ ও সতেজ রাখে। তিনি সীমান্তিক এবং আরটিএম ইন্টারন্যাশনাল পরিবারের বার্ষিক আনন্দ উৎসবের মিলন মেলা আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি নগরীর উপশহরস্থ মাছিমপুর ড. আহমদ আল কবির সীমান্তিক কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী সীমান্তিক এবং আরটিএম ইন্টারন্যাশনাল পরিবারের বার্ষিক আনন্দ উৎসব ও মিলন মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, সীমান্তিকের প্রতিষ্ঠাতা ও চীফ পেট্রোন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবিরের সভাপতিত্বে ও সীমান্তিকের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ তাফাদার, প্রধান শিক্ষিকা ফাহমিদা রহমান এবং প্রভাষক কানিজ সিদ্দিকার যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট ৩-আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা, কমিউনিটি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, পুলিশ উপ কমিশনার ফয়সল মাহমুদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শামীম আহমদ, আর টি এম এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহমদ আল ওয়ালী, সীমান্তিকের নির্বাহী পরিচালক কাজী মোকসেদুর রহমান।
উক্ত মিলন মেলায় সীমান্তিক ও আরটিএম পরিবারের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. আহমদ আল কবির। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ভাষা শহীদদের সম্মান ও ঢাকার চক বাজারে আগুনে পুড়ে নিহতের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।