সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রাক্তন ফুটবলারদের সমন্বয়ে প্রবাসীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ



স্পোর্টস ডেস্ক ::
“প্রাণের টানে মিলিবো স্বজন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গ্রেটার সিলেটের প্রাক্তন ফুটবলারদের সমন্বয়ে প্রবাসীদের এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ গতকাল বৃহস্পতিবার গোলাপগঞ্জ উপজেলার এম.সি একাডেমী মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

৮০ দশকের তুখোড় ফুটবলার দুলন, সাব্বির, দিনেশ, নাজমুল, পাপ্পু, ওদের ক্রীড়া শৈলীদর্শনে মুদ্ধ এলাকার অগণিত দর্শক। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোলাপগঞ্জ একাদশ ২-০ গোলে প্রবাসী ফুটবলার একাদশকে পরাজিত করে। খেলা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ইল্যান্ডের টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র ওহিদ আহমদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ আমার ভাবতে ভালো লাগছে আমরা এখনো ফুরিয়ে যাইনি। পাপ্পু, রাসেল, শাহেদ, সাব্বিররা অতীতের মতো আজও দাপিয়ে যে ফুটবল খেলা প্রদর্শন করলো, আমি বিশ্বাস করি তাদের এই খেলা দেশের ফুটবলাদের মধ্যে একটা সেতু বন্ধন রচিত হলো এবং ভবিষ্যতে তা আরো বেগবান হবে। সিলেটের ফুটবলের এক সময়ে সোনালী যুগ ছিল। সেই ৮০-৯০ দশকের পর থেকে কেমন জানি ফুটবলের অঙ্গন ঝিমিয়ে পড়েছে। আমি বিশ্বাস করি, প্রবাসীরা আমাদের দেশের খেলায় পৃষ্টপোষকতা করলে বদান্যতায় আবারো ফুটবলের জোয়ার ফিরে আসবে।

বি.এ. খান পাপ্পু তার বক্তব্যে বলেন, জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে আমরা বিদেশে পড়ে থাকলেও দেশের মাটি ও মানুষের কাছে আমরা সব সময় জবাবদিহীতায় আবদ্ধ। এক সময়ে আমরা দেশের মাটিতে ফুটবল খেলে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছি। আজ প্রয়োজনের তাগিদে ফুটবল খেলা ছেড়ে দিলেও আপনাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব কোন অংশে কম নয়।

প্রবাসী দলের সমন্বয়ক ও দল নায়ক শাব্বির আহমদ চৌধুরী বলেন, আমরা আপনাদেরই সন্তান। দেশ ও মাটি ও মাতৃকার টানে আমরা এদেশের ফুটবলে সামান্য হলেও ভূমিকা রাখতে চাই। এ কারনেই আমরা প্রবাসীদের সমন্বয়ে দেশে এসে আবার খেলার মাঠেই ফিরে এসেছি। আশা করছি, প্রতি বছর আমরা টিম নিয়ে বাংলাদেশে এসে ফুটবলের মাঠে আপনাদের আনন্দ দিয়ে যাবো। শেষে প্রবাসী খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। খেলায় সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন প্রবাসী দলের কোচ কাম ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম।