সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ক্রাইস্টচার্চে ক্রিকেটাররা নিরাপদ থাকায় দোহায় ফুটবলারদের স্বস্তি



নিউজ ডেস্ক:: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় অর্ধশত মুসল্লী নিহত এবং অনেক আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কাতারের দোহায় বিশেষ কন্ডিশনিং ক্যাম্পে থাকা বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ফুটবলাররা। ওই হামলায় আক্রান্ত হওয়া থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন দেশটি সফররত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ওই মসজিদেই জুমার নামাজ আদায় করার কথা ছিল তামিম-মুশফিকদের।

ঘুম থেকে উঠেই বিভিন্ন টিভি চ্যনেল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই হামলার খবর জানার পর থেকে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন কাতারে অবস্থানরত ফুটবলাররা। তারা বিভিন্নভাবে খবর নেয়ার চেষ্টা করেন ক্রিকেটারদের সর্বশেষ কী অবস্থা। দলের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মিডিয়া অফিসার খালিদ মাহমুদ নওমী জানিয়েছেন, ‘নিউজিল্যান্ডে আমাদের ক্রিকেটারদের আল্লাহ রক্ষা করেছেন, এ জন্য ফুটবলারদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে। তবে তাদের মধ্যেও একটা ভয় তৈরি হয়েছে। এমন অঘটন তো যে কোনো স্থানেই হতে পারে।’

শুক্রবার রাতে প্রস্তুতি ম্যাচ থাকায় অনুশীলন ছিল না ফুটবলারদের। সকালের নাস্তার পর তারা সব সময় ক্রাইস্টচার্চের খবর নেয়ার চেষ্টা করেছেন। চোখ রেখেছেন টিভি পর্দায় বিভিন্ন চ্যানেলে। দলের সবাই হোটেলের পাশের একটা মসজিদে জুমার নামাজ পড়েছেন। ক্রিকেটাররা নিরাপদ থাকায় তারা সেখানে শুকরিয়া আদায় করেছেন এবং টাইগাররা যেনো ভালোভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন এ জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।

বাফুফের মিডিয়া অফিসারের সঙ্গে যখন এ প্রতিবেদকের কথা হচ্ছিল তখন ফুটবলাররা দুপুরের খাবার শেষ করে যে যার কক্ষে ঘুমোচ্ছিলেন। যে কারণে কোনো ফুটবলারের সাথেই কথা বলা সম্ভব হয়নি। ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা শোনার পর থেকে ফুটবলারদের মধ্যে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল তার বর্ণনা করেছেন খালিদ মাহমুদ নওমী, ‘পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটুক তা কেউ চাননা। যখন জানা গেছে সেখানে বাংলাদেশিও নিহত হয়েছেন তখন ফুটবলাররা বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। আমাদের ক্রিকেটাররা মসজিদে প্রবেশের আগেই হামলা হয়েছে এবং তামিম-মুশফিকরা ভালো আছেন জানার পর কিছুটা স্বস্তি এসেছে ফুটবলারদের মধ্যে।’

দোহায় কেমন নিরাপত্তার মধ্যে আছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা? এমন প্রশ্নের জবাবে বাফুফের এ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এখানে আগে থেকেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আছেন ফুটবলাররা। হোটেলকক্ষ থেকে শুরু করে ফুটবলারদের যাতায়াতের সম্ভাব্য স্থানগুলো সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। তারপরও নিউজিল্যান্ডের ঘটনায় এক ধরণের উৎকন্ঠা তো আছেই।’