সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঈদের নাটক নির্মাণে শ্রীমঙ্গলের সবুজ লোকেশনে ব্যস্ত চলচিত্র কলাকৌশলীরা



শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা:: দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। কিন্তু এরইমধ্যে শুরু হয়েছে ঈদকে ঘিরে নাটক নির্মাণ। এনিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে চলচিত্র অঙ্গনের কলাকুশলীরা। অপরূপ সৗন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল। সাঁড়ি সাঁড়ি সবুজ পাহাড় যেন আকাশের কোলে যেন হেলান দিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য বিলাচ্ছে অকৃপন হাতে। এই মোহনীয় প্রকৃতির স্বাক্ষী হতে দক্ষ হাতে ক্যামেরা ফ্রেমে নিজেকে বন্দি করতে কে না চায়। তাইতো ছুটে আসা শ্রীমঙ্গলে। নাটক নির্মাতারাও শ্রীমঙ্গলের সবুজ চা বাগান ছবি নির্মাণের উপযুক্ত স্থান নির্বাচনে ভুল করছেন না।

আসন্ন ঈদে মানুষের বিনোদনের চাহিদা মেটাতে প্যাকেজ নাটক, সর্ট ফিল্ম নির্মাণে তোর জোড় শুরু হয়। বর্তমানে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন লোকেশনে ৮টি একক নাটক নির্মাণের কাজ চলছে। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে শ্রীমঙ্গলে অবস্থান করছেন কলাকুশলীরা। থাকবেন আরও ৪-৫ দিন।
নাটক নির্মাণে শ্রীমঙ্গলে এসেছেন এই সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা টয়া ও সাফা। নায়ক ফারহান আহমেদ জোভান ও তৌসিফ মাহবুব ছাড়াও এঁদের সাথে এসেছেন সহশিল্পী আব্দুল্লাহ রানা, মৃনাল দত্ত, ফরহাদ বাবু প্রমূখ কলাকুশলীরা। শ্রীমঙ্গলের চা বাগান, গ্রান্ড সুলতান রিসোর্ট, মাধবপুর লেকসহ বিভিন্ন লোকেশনে সুটিং চলছে।

গত ৩১ মার্চ শুটিং চলাকালে কথা হয় পরিচালক কে এম নাইম এর সাথে। সদালপী নাঈম লেন, ‘প্রায় ১০ দিন এখানে কাজ চলবে। সবই ঈদের নাটক। নাটকগুলোর নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে নির্মাণ কাজ শেষে নাম চূড়ান্ত করা হবে। আমরা রোদের কথা ভেবে এসেছিলাম। গত কয়েকদিনে আবহাওয়া বদলে যাওয়ায় শুটিং এর কাজে কিছুটা ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। তবে এই রোদ, এই বৃষ্টি- সব মিলিয়েই বেশ মানিয়ে নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। তিনি জানান, নাটকের অর্ধেক এর বেশি কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি আসছে ঈদে বে-সরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতে রিলিজ হবে’-যোগ করেন পরিচালক নাঈম।

নাটকগুলো পরিচালনায় কেএম নাঈম এর সাথে রয়েছেন রাফাত মজুমদার রিংকু , এলআর সোহেল ও মেহেদি হাসান হৃদয়। আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন স্পটে এগুলোর দৃশ্যধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রতি বছরই ঈদ আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ হয় বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত নাটক। নব্বই দশকে ঈদের ছুটির ফাঁকে দলবেঁধে বিটিভির নাটক দেখা ছিল ঈদ আনন্দের অংশ। এখন দেশে টেলিভিশন চ্যানেল বেড়েছে। ফলে শিল্পী, নির্মাতা ও কলাকুশলীদের কাজের ক্ষেত্রও বেড়েছে। প্রায় সব ক’টি টিভি চ্যানেল ঈদের অনুষ্ঠানমালায় থাকে বিশেষ একক ও ধারাবাহিক নাটক।#