শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভূমধ্যসাগরে নিহতদের ১৯ জন সিলেটের, বাড়ীতে বাড়িতে শোকের মাতম



নিউজ ডেস্ক:: মধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ৩৭ বাংলাদেশির মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ও নিখোঁজদের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম।

অনেকের মা-বাবা, স্বজনরা মাথা চাপড়ে বিলাপ করে কাঁদছেন। তাদের আহাজারিতে বাতাসও যেন ভারী হয়ে উঠেছে।

নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এদের মধ্যে ১৯ জনই সিলেট বিভাগের। এরআগে সিলেটর ৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছিলো।

নিহতরা হলেন- সিলেটের জিল্লুর রহমান, সিলেট বিয়ানীবাজারের রফিক ও রিপন, সিলেট গোলাপগঞ্জের মারুফ, ফেঞ্চুগঞ্জের লিমন আহমেদ, আব্দুল আজিজ, আয়াত ও আহমেদ, সিলেট দক্ষিণ সুরমার জিল্লুর, সিলেটের আমাজল, সিলেটের কাসিম আহমেদ, সিলেট বিশ্বনাথের খোকন, বেলাল, রুবেল, সিলেটের মনির, সুনামগঞ্জের মাহবুব, নাদিম, মৌলভীবাজারের ফাহা, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার শামিম, নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার জয়াগ গ্রামের নাসির, ঢাকার টঙ্গীর কামরান, মাদারীপুর জেলার সজিব, শরীয়তপুরের পারভেজ, কামরুন আহমেদ মারুফ, কিশোরগঞ্জ জেলার আল-আমিন, জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

ফেঞ্চুগঞ্জের নিহত লিটন মিয়ার পিতা সিরাজ মিয়া জানান, ৮ লাখ টাকার চুক্তিতে ইটালি যাওয়ার কথা ছিল লিটন মিয়ার।

সিলেটের রাজা ম্যানশনের ইয়াহইয়া ওভারসীজ নামের এক এজেন্সির সঙ্গে এমন চুক্তি হয় তাদের। এই এজেন্সির মালিক এনাম আহমদের বাড়ি একই উপজেলায়।

এলাকার পরিচয়ের সুবাদেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। ফেঞ্চুগঞ্জের আরো কয়েকজন এই এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

সরেজমিনে কুলাউড়ার ভুকশিমাইল গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। নিহত শামীমের পরিবারের সদস্যরা জানান, সাত ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে সে সবার ছোট।

ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ৩ মাস আগে বাড়ি থেকে বের হয়। বিভিন্ন দেশ হয়ে সে লিবিয়া পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়।

তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকেই মা রাজনা বেগম বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। প্রতিবেশীরাও শান্ত্বনা দিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

The post ভূমধ্যসাগরে নিহতদের ১৯ জন সিলেটের, বাড়ীতে বাড়িতে শোকের মাতম appeared first on DAILYSYLHET.COM | SYLHET NEWS | BANGLA NEWS.